মিয়ানমারে প্রথমবারের মতো দুজন করোনায় আক্রান্ত

img

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রাণঘাতী ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের সঙ্গে ২১০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে মিয়ানমারের। সেই দূরত্বে এতদিন করোনামুক্ত থাকলেও অবশেষে মৃদু পায়ে করোনা প্রবেশ করলো বংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যফেরত এ দুজনই দেশটির প্রথম করোনারোগী।

মিয়ানমারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২৩ মার্চ সোমবার রাতে জানায়, আক্রান্ত দুজনের একজন ৩৬ বছর বয়সী এবং একজন ২৬ বছর বয়সী। তারা সাম্প্রতিক সময়ে কাদের সঙ্গে মিশেছেন, তাদের চিহ্নিত করার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল যে দেশে, সেই চীনের সঙ্গে মিয়ানমারের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এমনকি দুদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে উভয় দেশে তাদের নাগরিকদের অবাধ যাতায়াত ও যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু উহানে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর থেকে দেশের সব প্রবেশপথে কড়াকড়ি আরোপ করে মিয়ানমার সরকার। তারই ফলে করোনাকে প্রায় তিনমাস ঠেকিয়ে রাখা গেছে বলে দাবি করে মিয়ানমার।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, করোনার বিস্তাররোধে গত সপ্তাহে মিয়ানমার সব স্থলসীমান্ত বন্ধ করে দেয়। নিষেধাজ্ঞা জারি করে বৌদ্ধ ধর্মীয় নববর্ষসহ সার্বিক আচার-অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক গণজমায়েতের ওপরও। দুইজন শনাক্ত হওয়ায় এখন গণজমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাসটি। এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৭৮ হাজার ৮৪৮ এবং মারা গেছেন ১৬ হাজার ৫১৪ জন। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ দুই হাজার ৬৯ জন।