ব্যক্তিগত অনুশীলনে একজন সহকারী পাবেন টাইগাররা

img

ক্রীড়া ডেস্ক:

ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য অনুমতি দিয়েছে বাংংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শুক্রবার  ক্রিকেট অপারেশনস কমিটি প্রধান আকরাম খান গণমাধ্যমকে বলেন, মূলত ক্রিকেটারদের ইচ্ছের কারণেই ব্যক্তিগত পর্যায়ের প্র্যাকটিসের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

মুশফিকুর রহীমের উদাহারণ টেনে আকরাম খান বলেন, ‘মুশফিক তো ঈদের আগেই একা অনুশীলন করতে চেয়েছিল, আমরা তখন অনুমতি দেইনি। এখনও আগ্রহী মুশফিক।’

আকরাম খান আরও জানান, ‘মুশফিক একা নয়। আরও আগ্রহী ক্রিকেটার আছে, যারা করোানার লকডাউনে ঘরে বসে ফিজিক্যাল ট্রেনিং করে সময় কাটিয়েছে। কিন্তু সত্যিকার ট্রেনিংটা হয়নি। তাদের কেউ কেউ আগ্রহী জিমওয়ার্ক করতে। পাশাপাশি নিজের উদোগে স্কিল ট্রেনিং করার ইচ্ছেও পোষণ করেছে। আমরা তাই ওদের ব্যক্তিগত ইচ্ছে পূরণের চিন্তায় মাঠে অনুশীলন করার সুযোগ করে দিতে চাচ্ছি।’

তা ঠিক আছে। কিন্তু একজন ক্রিকেটার জিমে গিয়ে নিজে নিজে জিমওয়ার্ক করতে পারলেও, ব্যাটিং-বোলিং তথা স্কিল ট্রেনিং তো একা একা করা সম্ভব নয়। সেটা করতে গেলে তার সহকারী লাগবে। নেট বোলার ও বোলিং মেশিনে ব্যাটিং অনুশীলনেও লাগে একাধিক সহকারী। আর বোলাররা কারও সাহায্য ছাড়া সেন্টার উইকেটে গিয়ে বড় জোর শুধু স্পট বোলিং করতে পারবেন।
তারও অন্যন্তত একজন ব্যাটসম্যান লাগবে। মোদ্দা কথা, ক্রিকেটারদের সহকারী দরকার। তা ছাড়া যতই বক্তিগত পর্যায়ের অনুশীলনের কথা বলা হোক না কেন, তা সম্ভব নয়। নেট বোলার ও বল বয়সহ একাধিক স্টাফ প্রয়োজন। সেটা কীভাবে করবেন? সহকারি স্টাফ কিংবা বলবয়দের কাছ থেকেও তো ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকতে পারে?

আকরাম খানের জবাব, ‘সে চিন্তা করেই আমরা সহকারীর সংখ্যা যতটা সম্ভব কমিয়ে দিয়েছি। ধরেন, যেখানে ৫ জন লাগত, এখন সেখানে একজন সহকারী নিয়ে প্র্যাকটিস করতে হবে। এর বেশি সহকারী দেয়া যাবে না। আর যারা সহকারী থাকবে, তারা পুরোপুুরি সুস্থ কি না? তাদের ভেতরে কেউ করোনার জীবাণু বহন করছে কি না? সেটাও পরীক্ষা করে নেয়া হবে।’

বিসিবি ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান আকরাম খানের শেষ কথা, ‘কেউ চাইলেই ৪-৫ জন নেট বোলার নিয়ে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করতে পারবে না। নামমাত্র এখন সহকারী ব্যবহার করা যাবে।’