করোনা মুক্ত হয়েই নড়াইলবাসীর খোঁজ নিতে নেমেছেন মাশরাফী

img

ক্রীড়া ডেস্ক:

করোনা মুক্ত হবার পর শারীরিকভাবে সুস্থ্যতার পরে সাধারণ মানুষের খোঁজ- খবর নিলেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তিনি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। দীর্ঘ ২৪ দিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সময়কালে বিশ্রাম নেওয়ার কথা থাকলেও নড়াইলে এসে তিনি একবিন্দুও বসে নেই। সবসময় নড়াইলের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

মল্লিকপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙন হচ্ছে এমন খবর পেয়ে আজ হঠাৎ করেই সেইসকল স্থানে সশরীরে উপস্থিত তিনি। নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মহিষাপাড়া ও করফা-আতশপাড়া এলাকার ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন নড়াইল এক্সপ্রেস।

নড়াইলের লোহাগড়ায় করোনার বিস্তার প্রতিরোধে আন্ডার আইসোলেশন সফল করতে যারা নিরলস ভাবে কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি। সাংসদ মাশরাফী নড়াইলের ইতনা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও কাঁচাসড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি সবধরণের উন্নয়নমূলক কাজে সকলের সহযোগীতা চান।

এ সময় মাশরাফি মহিশাপাড়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তিনটি বৃক্ষরোপণ করেন। মহিশাপাড়া থেকে করফা ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার পথে লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি প্রয়াত বাবুর সন্তানহারা মায়ের সাথে দেখা করেন মানবিক সাংসদ মাশরাফি বিন মর্তুজা এমপি। লোহাগড়া উপজেলার চর মল্লিকপুর গ্রামে বাবুর বাসভবনে তার মায়ের সাথে আলাপকালে ঈদে শাড়ি কেনার জন্য মাকে উপহার দেন মাশরাফি। বাবু বেঁচে থাকলে হয়তো মাকে ঈদের শাড়ি আর বোনকে ঈদের জামা উপহার দিতেন। সন্তানহারা মায়ের সেই অভাববোধ উপলব্ধি করতে দিলেন না মাশরাফি। এসময় তিনি বাবুর মাকে জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে একটি সরকারি ঘর করে দেওয়ার কথা বলেন এ বাবুর বোনের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মসিয়ূর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র, মল্লিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার মোস্তফা কামাল, সাবেক চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চল শাহরিয়ার মীম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রকিবুজ্জামান পলাশ,লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মুন্সী জোসেফ হোসেন,সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম।