ভ্যাকসিন আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রয়েছে: অর্থমন্ত্রী

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন ‍আসার পর দ্রুত যেন সেটি পাওয়া যায় সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রেখেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রাশিয়া প্রথম দেশ হিসেবে ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয়ার পর দেশটির সঙ্গে যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে অনলাইন ব্রিফিং করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এ সময় সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক দেশ অ্যাডভান্স টাকা পয়সাও দিয়েছে। কনটাকচুয়াল অবলিগেশনে অনেক দেশ গিয়েছে।আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সেই কথাই বললাম। আমাদেরও এই ধরনের ব্যবস্থায় যেতে হবে। অক্সফোর্ডের কথা আসছে। আমাদের সকল সোর্স থেকে চেষ্টা করতে হবে যেখান থেকে আমরা পেতে পারি। কারণ হলো ভ্যাকসিন সবার লাগবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসবেন। তারপর চূড়ান্ত হবে, আমরা কাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করবো। আমরা জানি রাশিয়া ছাড়াও চীনসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশ করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অনেকটা এগিয়ে গেছে। এটা বিশ্ববাসীসহ বাংলাদেশের জন্যও একটি সুখবর। আমার চেষ্টা করবো, যে দেশ আগে এ ভ্যাকসিন বাজারজাত করবে তাদেও সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত আনার জন্য।

তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পরই বিষয়টি আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে পারবো। তার আগে কিছু বলা ঠিক হবে না। কোনো একক সোর্স থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করার পরিবর্তে আমরা একাধিক সোর্স থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করবো। ইতোমধ্যে ভারত অক্সফোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। আমারও চেষ্টা করবো। যদি অক্সফোর্ডেও সঙ্গে সম্ভব না হয় তা হলে ভারতের সঙ্গেও যোগাযোগ করবো।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে বিষয়টি মনিটরিং করছেন। আর এ জন্য আলাদা করে অর্থ বরাদ্দ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এখনও ভ্যাকসিন হাইলাইজ হয়নি। যদিও রাশিয়া কালকে (১১ আগস্ট) বলেছে তারা প্রাইমারি স্টেজে আছে। ভ্যাকসিন তারা প্রয়োগ করেছে। আমার মনে হয় রাশানটাই প্রথমে মার্কেটে আসতে পারে। রাশিয়ার যে সোর্স তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাগোর করতে হবে। যারাই তৈরি করে তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ করতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা অর্থও রেখে দিয়েছি এ জন্য। ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য যখই প্রয়োজন হবে তখন যেন আমরা অর্থায়ন করতে পারি।

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়া। জানা গেছে, ইতিমধ্যে ২০টি দেশ রাশিয়ার কাছে ভ্যাকসিন চেয়ে আবেদন জানিয়েছে।