বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করলেন ইলেকট্রনিক ত্বক

img

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:

বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করেছে ইলেকট্রোনিক ত্বক । এই ইলেকট্রনিক স্কিন বা ত্বক তৈরির সঙ্গে যুক্ত গবেষকদের ভাষ্য, ই-স্কিন অনেকাংশেই মানুষের ত্বকের মতো দৃঢ় ও মজবুত। এটির সংকোচন ও প্রসারণও সম্ভব। সব চেয়ে বড় পাওনা হল, মানুষের ত্বকের মতোই এটি সংবেদনশীল। এর প্রয়োগ নিয়ে গবেষকদের বক্তব্য, বায়োলজিকাল ডেটা সংগ্রহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে ই-স্কিন। আগামিদিনে প্রস্থেটিক টেকনোলজি, সফট রোবোটিক, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স-সহ একাধিক ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ভূমিকা নিতে পারে এই ই-ডিভাইজ।

কীভাবে কাজ করতে পারে এই ই-স্কিন?

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ইয়েচেন সাই জানিয়েছেন, মানুষের ত্বকের কলা-কোষের কথা মাথায় রেখেই এই ই-স্কিনের ডিজাইন করা হয়েছে। যাতে এটি কোনও বিষয় অনুভব করতে পারে ও মানুষের ত্বকের মতো কাজ করতে পারে, সেই জন্য এতে হাইড্রোজেল ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে একজন মানুষের ত্বকের মতোই উষ্ণতা বা ছোঁয়া অনুভব করতে পারে এই ইলেকট্রনিক স্কিন। এর মধ্যে টুডি সেন্সর লেয়ারও রয়েছে।

সব চেয়ে বড় বিষয়টি হল, এই ই-স্কিন যথাযথ ভাবে এবং সঠিক সময়ের মধ্যেই এই স্পর্শ বা তাপমাত্রা অনুভবের কাজ করতে পারে। উল্লেখ্য, ২০ সেন্টিমিটার দূর থেকেই যে কোনও বস্তুর উপস্থিতি অনুভব করতে পারে এই ই-স্কিন। ০.১ সেকেন্ডেরও কম সময়ে যে কোনও উদ্দীপনায় সাড়া দিতে পারে এটি।

কীভাবে তৈরি করা হয়েছে ই-স্কিন?

এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন নির্মাতা ইয়েচেন সাই ও জি শেইন। তাদের কথায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ন্যানো মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ই-স্কিন। এ ক্ষেত্রে ই-স্কিন তৈরি করা হয়েছে হাইড্রোজেল ও সিলিকা ন্যানোপার্টিকল দিয়ে। ফলে স্কিনটি শুধু মজবুতই হয়নি, প্রয়োজন মতো প্রসারিত করা যেতে পারে একে। সেন্সর লেয়ার হিসেবে ই-স্কিনটিতে থাকছে টুডি টাইটেনিয়াম কার্বাইড ম্যাক্সজেন। এর পর কনডাকটিভ ন্যানোওয়্যার অর্থাৎ সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম তার দিয়ে এই সমস্ত উপাদানকে একত্রিত করা হয়েছে।