চতুর্থ ধাপে ৫৬ পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চতুর্থ ধাপে দেশের যে ৫৬টি পৌরসভায় আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে সেগুলোতে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বুধবার দলের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, আগে যারা বিদ্রোহী ছিলেন এবারও আমরা তাদের মনোনয়ন দেইনি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই, দলের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক এবং বিশেষ করে করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন নারীকে এবার দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে। অভিযোগের কারণে আগের বেশ কয়েকজন মেয়রকে এবার আর মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হয়। যারা নৌকা প্রতীক পেয়েছেন তারা হলেন:

রংপুর বিভাগ (৪টি পৌরসভা)

ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় আঞ্জুমান আরা বেগম; রাণীশংকৈলে মো. মোস্তাফিজুর রহমান; লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট পৌরসভায় মো. মোফাজ্জল হোসেন; পাটগ্রামে মো. রাশেদুল ইসলাম সুইট।

রাজশাহী বিভাগ (৯টি পৌরসভা)

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে মো. শহীদুল আলম চৌধুরী; কালাইয়ে মোছা. রাবেয়া সুলতানা; চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সৈয়দ মনিরুল ইসলাম; রাজশাহীর পবা’র নওহাটায় মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ; গোদাগাড়ীতে মো. অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস; তানোরে মো. ইমরুল হক; বাগমারার তাহেরপুরে মো. আবুল কালাম আজাদ। নাটোরের বড়াইগ্রামে মো. মাজেদুল বারী নয়ন; নাটোর (সদর) উমা চৌধুরী।

খুলনা বিভাগ (৬টি পৌরসভা)

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মো. রফিকুল ইসলাম; আলমডাঙ্গায় হাসান কাদির গনু; যশোরের চৌগাছায় মো. নুর উদ্দীন আল-মামুন; বাঘারপাড়ায় মো. কামরুজ্জামান; বাগেরহাটে (সদর) খাঁন হাবিবুর রহমান; সাতক্ষীরায় (সদরে) শেখ নাসেরুল হক।

বরিশাল বিভাগ (৩টি পৌরসভা)

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিপুল চন্দ্র হাওলাদার; বরিশালের মুলাদীতে মো. শফিকউজ্জামান; বানারীপাড়ায় সুভাস চন্দ্র শীল।

ঢাকা বিভাগ (১৩টি পৌরসভা)

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মো. রকিবুল হক ছানা; কালিহাতীতে মোহাম্মদ নুরুন্নবী; কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে মো. আনোয়ার হোসেন; হোসেনপুর মো. আ. কাইয়ুম (খোকন); করিমগঞ্জে মো. মুসলেহ উদ্দিন। মুন্সীগঞ্জ সদরের মিরকাদিমে আবদুস ছালাম; নরসিংদী সদরে আশরাফ হোসেন সরকার; মাধবদীতে মো. মোশাররফ হোসেন; রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নজরুল ইসলাম; রাজবাড়ী সদরে মহম্মদ আলী চৌধুরী। ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিমাই চন্দ্র সরকার; মাদারীপুরের কালকিনিতে এস. এম. হানিফ; শরীয়তপুরের ডামুড্যায় মো. কামাল উদ্দিন আহমদ।

ময়মনসিংহ বিভাগ (৫টি পৌরসভা)

জামালপুরের মেলান্দহে মো. শফিক জাহেদী রবিন; শেরপুর সদরে গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া; শেরপুরের শ্রীবরদীতে মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া; ময়মনসিংহের ফুলপুরে মি. শশধর সেন; নেত্রকোনা সদরে মো. নজরুল ইসলাম খান।

সিলেট বিভাগ (২টি পৌরসভা)

সিলেটের কানাইঘাটে লুৎফুর রহমান; হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

চট্টগ্রাম বিভাগ (১৪টি পৌরসভা)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তাকজিল খলিফা; কুমিল্লার হোমনায় মো. নজরুল ইসলাম; দাউদকান্দিতে নাইম ইউসুফ; চাঁদপুরের কচুয়ায় মো. নাজমুল আলম; ফরিদগঞ্জে আবুল খায়ের পাটওয়ারী; ফেনীর পরশুরামে নিজাম উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী; নোয়াখালীর চাটখিলে মো. নিজাম উদ্দিন; সোনাইমুড়িতে নুরুল হক চৌধুরী; লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে এম মেজবাহ উদ্দিন; চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মোহাম্মদ জোবায়ের; পটিয়ায় মো. আইয়ুব বাবুল; চন্দনাইশে মু. মাহবুবুল আলম; খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় শামছুল হক; রাঙামাটি সদরে মো. আকবর হোসেন চৌধুরী; বান্দরবান সদরে মোহাম্মদ ইসলাম বেবী।