শেষ পঞ্চম ধাপের পৌর ভোট, চলছে গণনা

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সহিংসতায় একজনের মৃত্যু, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের নির্বাচন বর্জনের মধ্য দিয়ে পঞ্চম ধাপে দেশের ২৯ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে গণনা।

নির্বাচনে ভোটগ্রহণকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্র ও রাজশাহীর চারাঘাটে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। এতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

রবিবার সকাল ৪টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। এই ধাপে সব পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়েছে।

এই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০০ জন। তাদের মধ্যে ১৪টি পৌরসভায় ২২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। তাদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগ-বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।

এ ধাপের ১৪ পৌরসভা নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কায় নির্দিষ্ট সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়েও বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এই ১৩টির মধ্যে আটটিতেই স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। তবুও থামানো যায়নি সহিংসতা ও গণ্ডগোল।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, পৌর নির্বাচনের সঙ্গে একইদিন দেশের চারটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন পদে উপ-নির্বাচন হয়।

এছাড়া এর আগে অনুষ্ঠিত সাতটি পৌরসভায় বন্ধ ঘোষিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে এবং মৃত্যুজনিত কারণে চট্টগ্রাম সিটির ৩১ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌরসভার ৮ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৮ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ও সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদেও ভোট হবে এদিন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম সিটির ওই ওয়ার্ড ও শৈলকূপায় ভোট অনুষ্ঠিত হয় ইভিএমে।

নিরাপত্তা রক্ষায় নির্বাচনি এলাকায় পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে ছিলেন। নির্বাচনি এলাকায় যান চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

পঞ্চম ধাপের পৌরসভাগুলোতে মেয়র পদে একশ’ জন, সাধারণ ওয়ার্ডে এক হাজার ৩১৮ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৬৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব পৌরসভায় ৬৩৭টি ভোটকেন্দ্র ও চার হাজার ৩২৩টি ভোটকক্ষ রয়েছে। ভোটার রয়েছেন ১৪ লাখ ১৪ হাজার ২৯৭ জন, যাদের মধ্যে পুরুষ সাত লাখ সাত হাজার ৭৭৫জন ও নারী ৭ লাখ ২৭ হাজার ২৯৭জন।