বিভিন্ন মার্কেট পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে, তোয়াক্কা নেই স্বাস্থ্যবিধির

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও মার্কেটসহ সব দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে শর্ত ছিল, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যদিও বেশির ভাগ ক্রেতা ও দোকানি তোয়াক্কা করছেন না স্বাস্থ্যবিধির। ঈদের আগের শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে।

 

শুক্রবার রাজধানীর নিউ মার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনি চক, টোকিও স্কয়ার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটসহ বেশ কিছু মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র।

সকালে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে। মাইকের আওয়াজ ক্রেতা-বিক্রেতাদের কান পর্যন্ত পৌঁছালেও তা মানতে দেখা যায়নি মার্কেটের বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতাকে।

কম দামে নারীদের পোশাক পাওয়া যায় রাজধানীর এমন মার্কেটের মধ্যে কৃষি মার্কেট অন্যতম। আকারে ছোট এই মার্কেটটির ভেতরে চলাচলের জায়গাও বেশ কম। মার্কেটের ভেতরের অংশে চলাচলের গলি দিয়ে দুজন পাশাপাশি হেঁটে যাওয়ার মতো জায়গা নেই। সেখানে গিয়ে দেখা গেল মানুষের প্রচণ্ড ঠেলাঠেলি।একে অন্যের সঙ্গে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে চলাচল করছে। মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় আরও বেশি। সেখানেও নেই স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই।

 

 

এদিকে মার্কেটটিতে প্রবেশের ব্যবস্থা করা হচ্ছে নিউ মার্কেট ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে। সেখানে কোনো জীবাণুনাশক টার্নেল নেই। ব্রিজটির উপরে এবং নিচে হাজার হাজার মানুষের ভিড় করোনাভাইরাস সংক্রমণের অশনি সংকেত দিচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে এখানকার ব্যবসায়ীরাও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অনাগ্রহী।

তবে চাঁদনি চক মার্কেটের একজন দোকানি অভিযোগ করেন, ফুটওভার ব্রিজের উপর দুই পাশে হকার বসার কারণে ফুটওভার ব্রিজে চলাচলের জায়গা কমে গেছে। ফলে সরু জায়গা দিয়ে ক্রেতাদের চলাচল করতে হচ্ছে।