দেশে এলো সিনোফার্মের আরও ৫৪ লাখ টিকা

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চীনের তৈরি সিনোফার্মের ৫৪ লাখ ডোজ টিকার চালান ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। দেশে আসা করোনা প্রতিরোধী টিকার এটাই সবচেয়ে বড় চালান।

শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে এসব টিকা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য ডা. শামসুল হকসহ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে এই টিকা গ্রহণ করেন।

বৃহৎ এই চালানে আসা ৫৪ লাখ এক হাজার ৩৫০ ডোজ টিকা সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতাধীন কোল্ড স্টোরেজে রাখা হয়েছে।

সিনোফার্মের তিন কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করেছে সরকার। ইতিমধ্যে চীনের কাছ থেকে উপহার ও কেনা মিলিয়ে এক কোটি ৯৯ লাখ এক হাজার ৩৫০ ডোজ টিকা পেল বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে শুক্রবার পর্যন্ত তিন কোটি ৩৬ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭৩ ডোজ টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন দুই কোটি চার লাখ ৩৭ হাজার ১১৪ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন এক কোটি ৩২ লাখ ৬২ হাজার ৬৫৯ জন।

এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ এক কোটি ১৬ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৬ আর নারী ৮৮ লাখ ১০ হাজার ৫৬৮ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮১০ আর নারী ৫৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪৯ জন।

এরমধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড প্রয়োগ হয়েছে এক কোটি ২২ লাখ চার হাজার ১৪৫ ডোজ। ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা প্রয়োগ হয়েছে এক লাখ ৯১১ ডোজ। চীনের সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগ হয়েছে এক কোটি ৬৭ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৬ ডোজ। আর মডার্নার টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৪৬ লাখ ১৯ হাজার ৭৩১ জন।

দেশে গত ফেব্রুয়ারি মাসে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। তবে কিছু দিন চলার পর টিকা সংকটের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। মূলত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সঠিক সময়ে না পাওয়ার কারণে দেশে টিকার সংকট দেখা দেয়। দেশে এখন চারটি কোম্পানির কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া হচ্ছে। এগুলো হলো অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার-বায়োএনটেক, মর্ডানা ও সিনোফার্মের টিকা।