শিক্ষাঙ্গনে স্বাস্থ্যবিধি মানায় অবহেলা হলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনার কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর খুলেছে শিক্ষপ্রতিষ্ঠান। এই অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানায় অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে করোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রবিবার সকালে রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানায় অবহেলা করা হলে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তরের যারা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তদারকির দায়িত্বে থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় মন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলার সময় ফটকের বাইরে ভিড় না করতে অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

‌শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সঠিক সময় মনে করেই আজ দেশে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজ না খোলার জন্য শয়ে শয়ে বার্তা ছিল। আসলে সব দিকেই অনেক মতামত রয়েছে। তার মধ্য থেকেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।’

দীপু মনি বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের হার কমতে থাকায় কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংক্রমণের হার একেবারে ৫ শতাংশে না হলেও এর কাছাকাছি নেমে আসবে। তার ভিত্তিতেই কিন্তু আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিই। আমরা এই সময়টাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার যথার্থ সময় মনে করেছি।’

শিক্ষাবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী চলতি শিক্ষাবর্ষ দু-এক মাস বাড়ানো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন কী কী ঘাটতি হয়েছে বা কতটুকু হয়েছে, সেটা মূল্যায়ন করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

স্কুল ড্রেস নিয়ে শিক্ষার্থীদের চাপ না দিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে আমি বলতে চাই, আপনারা শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেসের বিষয়ে চাপ দেবেন না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব নিতে হবে।’

ডেঙ্গুর প্রভাবের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে সচেতন থাকার অনুরোধ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক।