জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার বেলা সাড়ে ১০টায় দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধীনে ৪৬০ শয্যা বিশিষ্ট সমন্বিত ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ ইউনিটের উদ্বোধনের সময় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে এসব ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে এখন থেকে দেশের মানুষ সব বিভাগীয় শহরেই বিশেষায়িত এসব সেবা পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষের জন্য শোষিত-বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সংগ্রাম করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আর স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব তিনি নিয়েছিলেন। সেই অবস্থাতেও তিনি স্বাস্থ্যসেবাটা যেন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, সে ব্যবস্থা নেন। তিনি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, প্রতি ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হবে এবং সেভাবে তিনি প্রায় ৩৭৫টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করে চিকিৎসা সেব জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

ভয় না পেয়ে দেশবাসীকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের সুস্থতা এবং একজন মানুষও যেন টিকাপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত না হয় সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ৩১ কোটি ডোজ টিকার ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানীসহ সারাদেশে ১৩ কোটিরও বেশি টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ ছাড়াও বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ রোধে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও জনসমাগম এড়িয়ে বলার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে চলতে জনগণকে অনুরোধ জানান সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে শিশুদের ঝুঁকি বেশি। তাই ১২ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে আরও কম বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশে কেন এত ক্যান্সার হচ্ছে? এজন্য চিকিৎসার পাশাপাশি গবেষণাও করতে হবে। দেশে বোনমেরু ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু হয়েছে।