৪৬৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

img

ক্রীড়া প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার করা ৩৯৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই সেঞ্চুরি এবং দুই হাফ-সেঞ্চুরির সুবাদে ৯ উইকেটে ৪৬৫ রান করে বাংলাদেশ। এরপর শরিফুল ইসলাম রিটায়ার্ড হার্ট হলে ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ফলে ৬৮ রানের লিড পেয়েছে মুমিনুল হকরা। এখন ফিল্ডিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ।

এর আগে সফররত শ্রীলঙ্কার করা ৩৯৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনশেষে বাংলাদেশ করেছিল ৩ উইকেটে ৩১৮ তুলেছিল বাংলাদেশ। ওই দিন ৫৩ রানে মুশফিক ও ৫৪ রানে লিটন অপরাজিত ছিলেন। প্রথম সেশন শেষে এখনও এদিন কোনো উইকেট হারাতে হয়নি বাংলাদেশকে।

লিটন-মুশফিক দুজনই ছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু সেঞ্চুরির কাছাকাছি এসেও সেটা পূরণ করতে পারলেন না লিটন। লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে প্রথম বলেই আউট হয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। আউট হওয়ার আগে করেন ৮৮ রান। ১৮৯ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি ১০টি চারে সাজানো।

লিটন আউট হওয়ার পর আবারও ব্যাট করতে আসেন রিটায়ার্ড হার্ডে মাঠ ছাড়া টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল খান। কিন্তু সুবিধা করতে পারলেন না তিনি। ক্রিজে নেমে প্রথম বলেই বোল্ড হয়েছেন তামিম। তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৩৩ রান।

টানা দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ দলের কিছুটা ছন্দপতন ঘটে। এ সময় ষষ্ঠ উইকেটে সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে দলকে চাপমুক্ত করেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু সাকিব তাকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। ফিরেছেন ব্যক্তিগত ২৫ রানে।

এরপর নাঈমকে নিয়ে নিজের সেঞ্চুরির পথে এগোচ্ছিলেন মুশফিক। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে নিজের সেঞ্চুরির পেয়ে যান তিনি। তবে ইনিংসটি ঘোষণা করা হয়নি। এম্বুলদেনিয়ার লেগ স্ট্যাম্প বরাবর করা বলে সুইপ করতে চেয়েছিলেন মুশফিক। কিন্তু সরাসরি লেগ স্ট্যাম্প বল লাগলে আউট হন তিনি। ২৮২ বলে ৪ চারে মুশফিকের ইনিংস থামে ১০৫ রানে।

এরপর নাঈম হাসান ৯ রানে এবং তাইজুল ইসলাম ২০ রানে আউট হন। আর শরিফুল ইসলাম রিটায়ার্ড হার্ট হন ৩ রানে। এদিকে শূন্যরানে অপরাজিত থাকেন খালেদ আহমেদ।