ড্রোন হামলায় আলকায়দা নেতা জাওয়াহিরি নিহত

img

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক: 

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় আল-কায়েদা নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিবিসি বলছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাওয়াহিরিকে হত্যার কথা ‘নিশ্চিত’ করেছেন।

ব্রিটিশ ওই গণমাধ্যমে বলা হয়, রবিবার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে সিআইএ পরিচালিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে তিনি নিহত হন।

বাইডেন বলেন, ‘জাওয়াহিরি আমেরিকান নাগরিকদের বিরুদ্ধে হত্যা ও সহিংসতার একটি লেজ খোদাই করেছেন।

‘এখন ন্যায়বিচার করা হয়েছে এবং এই সন্ত্রাসী নেতা আর নেই’- যোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

কর্মকর্তারা বলেছেন, যখন ড্রোনটি জাওয়াহিরিকে লক্ষ্য করে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, তখন তিনি একটি সেফ হাউসের বারান্দায় ছিলেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন, তবে তারা অক্ষত ছিলেন এবং শুধুমাত্র জাওয়াহিরিকে হত্যা করা হয়েছে।

জো বাইডেন বলছিলেন, তিনি কয়েক মাস পরিকল্পনার পরে ৭১ বছর বয়সী আল-কায়েদা নেতার ওপর ‘নির্ভুল হামলার’ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন।

বাইডেন আরও বলেন, ‘জাওয়াহিরি অন্যান্য সহিংসতার পরিকল্পনাও করেছিলেন, যার মধ্যে ২০০০ সালের অক্টোবরে এডেনে ইউএসএস কোল নেভাল ডেস্ট্রয়ারের আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৭ মার্কিন নাবিক নিহত হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যতই সময় লাগুক না কেন, আপনি যেখানেই লুকিয়ে থাকুন না কেন, আপনি যদি আমাদের জনগণের জন্য হুমকি হয়ে থাকেন তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাকে খুঁজে বের করবে এবং আপনাকে বের করে আনবে। আমরা আমাদের জাতিকে রক্ষা করা থেকে কখনই পিছপা হব না।’

তালেবানের একজন মুখপাত্র মার্কিন অভিযানকে আন্তর্জাতিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছেন।

মুখপাত্র বলেছেন, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড বিগত ২০ বছরের ব্যর্থ অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আফগানিস্তান এবং অঞ্চলের স্বার্থের বিরুদ্ধে।’

২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর জাওয়াহিরি আল-কায়েদার দায়িত্ব নেন। তিনি এবং বিন লাদেন একসঙ্গে ৯/১১ হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীদের’ একজন ছিলেন।