গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

img

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক: 

ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠী রবিবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। যুদ্ধ বিরতিটি গাজা সীমান্তে এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর অগ্নিসংযোগের অবসানের আশা জাগিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

ইসরায়েলি বাহিনী সপ্তাহান্তে ফিলিস্তিনি লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালায়, রকেট হামলা শুরু করে। যুদ্ধবিরতির সময় হামলাগুলো অনেকাংশে হ্রাস পায়।

ইসলামিক জিহাদ এবং ইসরায়েলের পৃথক বিবৃতিতে এটি ঘোষণা করা হয়েছিল। উভয়েই যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতার জন্য মিশরকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।

গাজার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৪৪ ফিলিস্তিনি (যাদের প্রায় অর্ধেক বেসামরিক এবং শিশু) নিহত হয়েছে। রকেটগুলি দক্ষিণ ইসরায়েলের বেশিরভাগ অংশকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং তেল আবিব ও অ্যাশকেলনসহ শহরগুলির বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে গোষ্ঠীর নেতা বাসাম আল-সাদির গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে ইমসলামিক জিহাদ গোষ্ঠি পাল্টা আক্রমণে যেতে পারে বলে আগেই ধারণা করেছিল ইসরায়েল। ফলে তারা হামলার প্রস্ততি নিয়ে রেখেছিল আগে থেকে।

জবাবে ইসলামিক জিহাদ ইসরাইলের দিকে কয়েকশ রকেট নিক্ষেপ করে। তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রুপের নেতা জিয়াদ আল-নাখালা বলেন, আল-সাদির মুক্তির জন্য কাজ করবে কায়রো।

তবে ইসরায়েলি এবং মিশরীয় কর্মকর্তারা এ ব্যাপারে সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

রবিবার, ইসলামিক জিহাদ জেরুজালেমের দিকে গুলি চালানোর মাত্রা বাড়িয়েছে।

ইসরায়েল বলেছে, তাদের আয়রন ডোম ইন্টারসেপ্টর শহরের ঠিক পশ্চিমে রকেটগুলো ধংস করেছে। সামরিক বাহিনী বলেছে, অন্যরা কম পড়েছিল, যার ফলে গাজায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

অপরদিকে হামাস বলেছে, সমস্ত ফিলিস্তিনি মারা গেছে ইসরায়েলি হামলার কারণে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং গাজার অভ্যন্তরে বেসামরিক হতাহতের তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।