এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

img

ক্রীড়া প্রতিবেদক:

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপের ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে ফের একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করল শ্রীলঙ্কা। উপমহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এটা শ্রীলঙ্কার ষষ্ঠ শিরোপা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট কতে নেমে ১৭০ রান তুলে শ্রীলঙ্কা। রান তাড়া করতে নেমে বাবর আজমদের ইনিংস থেমেছে ১৪৭ রানে।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। ব্যক্তিগত ৫ রানে ওপেনার বাবর আজম ও শূন্যরানেই ফেরেন দ্বিতীয় উইকেটে খেলতে নামা ফখর জামান। মাত্র ২২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর পাওয়ার প্লের প্রথম ছয় ওভারে ৩৭ রান তুলতে সক্ষম হয় পাকিস্তান ক্রিকেট দল।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতেখার আহমেদ। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ৭১ রানের জুটি। তবে দলকে বিপদে রেখেই সাজঘরের পথ ধরেন ইফতেখার। দুই চার ও এক ছয়ে ৩১ বল খেলে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩২ রান। ৯ বলে ৬ রান নেওয়াজ।

এদিকে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণের পর মোহাম্মদ রিজওয়ানের ইনিংস থেমেছে ৫৫ রানে। এছাড়া খুশদিল শাহ ২, আসিফ আলি শূন্য, সাদাব খান ৮, নাসিম শাহ ৪, ও হ্যারিস রউফ করেন ১৩ রান। আর ৮ রানে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ হাসনাইন।

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পাকিস্তানি দলনেতা বাবর আজম। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানান পাকিস্তানি পেসাররা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই লঙ্কান ওপেনার কুশল মেন্ডিসকে শূন্যরানে ফেরান নাসিম শাহ। এরপরের দুই উইকেট নেন হ্যারিস রউফ। ৮ রানে পাথুম নিশানকা ও ১ রানে আউট হন দানুস্কা গুনাথিলাকা।

আপনতালে খেলে যাচ্ছিলেন ধনঞ্জয় ডি সিলভা। তবে ইফতেকার আহমেদের বলে সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ২৮ রানে। দলনেতা দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান।

৫৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলো শ্রীলঙ্কা। ম্যাচের এমতাবস্থায় ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাত্র ৩০ বলে আসে ৪৮ রান। তাতেই এগোতে থাকে দলীয় স্কোর। মাত্র ২১ বলে ৩৬ রান করে আউট হন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।

এদিকে চামিকা করুনারত্নেকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত খেলে যান রাজাপাকসে। তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। অপরাজিত থাকেন ৭১ রানে। মাত্র ৪৫ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ছয়টি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। অন্যদিকে ১৪ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন করুনারত্নে।

পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন হ্যারিস রউফ। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনজন বোলার।