খাদ্যের অপচয় যেন না হয়, উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

img

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের সবাই মিলে কাজ করলে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের কোনো আঘাত আসবে না দৃঢ় প্রত্যয় রেখে সরকারপ্রধান বলেন, ‘ নিজের খাবার নিজেরা উৎপাদন করার চেষ্টা করলে পরিবেশের ওপর চাপ কমবে । বাজারের ওপর চাপ কমবে । আমরা সকলে মিলে আমরা কাজ করলে অবশ্যই আমাদের বাংলাদেশের ওপর কোনো রকম আঘাত আসবে না । আমি বিশ্বাস করি সকলের প্রচেষ্টায় এটা করা সম্ভব । ’

পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্ষমতায় এসে সামরিক শাসকরা দেশকে আমদানি নির্ভর করে তোলে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ তারা গণমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল । অতীতের সরকারগুলো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি বলেই দেশকে সফল হতে দেয়নি । সবক্ষেত্রে পরনির্ভরশীল করে রেখেছিল । ’
সরকার বর্তমানে বৈশ্বিক দুর্যোগের কথা চিন্তা করে খাদ্য রপ্তানিতে বেশি জোর দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ এখন আর আশ্বিন- কার্তিক মাসে দেশে মঙ্গা হয় না । কৃষি গবেষকদের কষ্টের সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছেন । কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে । ’

সুষম খাদ্যের কারণে দেশের মানুষের গড় আয়ু বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ সরকার সবার জন্য পুষ্টিকর, নিরাপদ ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে চায় । কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে । কারণ সুষম খাদ্য পাবার ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে । ’
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন ।