কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঙ্গে কী হয়েছিল তামিমের, জানালেন কোচ

img

ক্রীড়া প্রতিবেদক:

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সচেয়ে জমাট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তামিমের রেকর্ড গড়া ঝড়ো সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় বারের মতো শিরোপার দেখা পায় কুমিল্লার। টুর্নামেন্টের মুকুপ পেলেও কুমিল্লায় একটি বিতর্ক রয়ে যায়। সেটি হলো- তামিম ইকবালের ‘অধিনায়কত্ব’।

বিপিএল’র ষষ্ঠ আসর শুরু থেকেই তামিম ইকবালের অধিনায়কত্ব করার কথা থাকলেও টুর্নামেন্ট শুরু আগ মুহূর্তে দৃশ্যপট পালটে যায়। উড়ে এসে কুমিল্লার অধিনায়কত্ব নেন স্টিভ স্মিথ, তিনি চলে গেলে নেতৃত্বের ভার পড়ে ইমরুল কায়েসের উপর। কিন্তু তামিম কেন নেননি?

কুমিল্লা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও সেই ইসুটি নিয়ে নানা প্রশ্ন থেকে যায়। অবশেষে তামিমের অধিনায়কত্ব ‘করা না করা’ নিয়ে মুখ খুলেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কোচ সালাহউদ্দিন আহমেদ।

ক্রিকেট বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে সাক্ষাৎকারে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার মনে হয় এখানে বেশ কিছু ইস্যু ছিল যা জনসম্মুখে আলোচনা অসম্ভব। এছাড়া কিছু বিষয় ছিল যা দলের মনোবল ভাঙার জন্য যথেষ্ঠ। গত ছয় মাস ধরে আমি-তামিম কীভাবে দল সাজানো যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে স্মিথের এজেন্টের কাছ থেকে জানতে পারে যে সে আমাদের অধিনায়ক হয়েছে এবং এটি তামিমের জন্য বড় ধাক্কার কারণ ছিল।’

ইনজুরির কারণে কয়েক ম্যাচ খেলেই দেশে ফিরে যান স্মিথ। স্মিথ চলে যাওয়ার পর অধিনায়কত্ব নেয়ার কথা তামিম ইকবালের। কিন্তু অধিনায়ত্বের ভার নিতে হয় জুনিয়র ইমরুল কায়েসকে। তবে নেতৃত্ব না নিলেও চরম পেশাদারিত্ব দেখিয়ে ইমরুলকে দুহাত খুলে পরামর্শ দিয়েছেন মাঠে। 

এ ব্যাপারে কোচের ভাষ্য বলেন, ‘স্মিথ চলে যাওয়ার পর তার অধিনায়কত্ব না নেয়ার পেছনে এটাই ছিলো মূল কারণ (বিতর্ক)। আমি মনে করি তামিম সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিল। কারণ তার জায়গায় যে কেউ থাকলেই একই কাজ করতো। এই কারণে আমরা ইমরুলকে অধিনায়ক করেছি বাকি টুর্নামেন্টের জন্য। তবে সময় যত গড়িয়েছে, সে তার ভেতরের বেদনা কাটিয়ে উঠেছে এবং ইমরুলের সাথে পরামর্শ করেছে মাঠে ভালো ফলাফল আনার জন্য।’

সবকিছুই এখন অতীত। নেতৃত্ব যার কাঁধেই থাকুক কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফাইনালে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলে নায়ক বনে যান তামিম ইকবাল। এ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ১৪১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।