রাজাকারদের কুকীর্তির কথা পাঠ্যপুস্তকে তুলে ধরা হবে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

img

 সিলেট প্রতিনিধি:

জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের কুকীর্তির কথাও তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, এতে করে শিক্ষার্থীরা কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ তা জানতে ও বুঝতে পারবে।

মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াতে ইসলামী, রাজাকার-আলবদর ও আলশামস সদস্যরা পাকহানাদার বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে এ দেশের মুক্তিকামী মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। তারা মা-বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করেছে। তাই পাঠ্যপুস্তকে জামায়াতে ইসলামী, রাজাকার, আল বদর, আল শামসের ভূমিকা কি ছিল তা তুলে ধরা হবে বলে। না হলে একদিন তাদের কুকীর্তি মুছে যাবে। কেবল মুক্তিযোদ্ধাদের বীরগাঁথা লিখলেই চলবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে দক্ষিণ সুরমা ও বালাগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেটের জেলা প্রশাসন কাজী এম. এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় মন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। যুদ্ধ শেষে আমরা অস্ত্র জমা দিলেও ট্রেনিং, চেতনা জমা দেইনি। যারা পেছনে থেকে বঙ্গবন্ধুকে খুনের আয়োজন করেছিল তাদের এখন বিচারের সময় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

সভায় সিলেট-৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভবনের প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাফিজ, বালাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোস্তাকুর রহমান মফুর, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. এস. এম. জাহিদুর রহমান, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা করুনাময় দাস, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু রায় চৌধুরীসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।