৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণার নির্দেশ হাইকোর্টের

img

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এক মাসের মধ্যে গেজেট নোটিফিকেশন জারির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৭ সালে এ বিষয়ে রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ড. বশির আহমেদ। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২০ নভেম্বর বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেছিলেন।

এছাড়া, পাঠ্যবইয়ে ৭ই মার্চের ইতিহাস কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের ২০০৯ সালের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি সে বিষয়ে আগামি ১ মাসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী ভাষণের স্মারক হিসেবে দিনটি অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। ঐতিহাসিক ওই দিনটিকে কেন জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হবে না ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে সেদিন বঙ্গবন্ধু ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে কেন তার ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে না তা জানতে চেয়ে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর রুল জারি করে হাইকোর্ট।রুলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, শিক্ষা সচিব, গণপূর্ত সচিব, সংস্কৃতি সচিবকে জবাব দিতে বলা হয়।

৭ মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা ও যে মঞ্চে বঙ্গবন্ধু এ ভাষণ দিয়েছিলেন, সেই মঞ্চে তার আবক্ষ ভাস্কর্য নির্মাণের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ।