দেশে দেশে করোনার থাবা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭৬৩

img

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে ২ হাজার ৭৬৩ জন নিহত হয়েছে। শুধুমাত্র চীনে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৭১৫ জন। চীনের বাইরে নিহত হয়েছে ৪৮ জন। এর মধ্যে ইরানে ১৬, দক্ষিণ কোরিয়ায় ১১, ইটালিতে ১১, জাপান ৫, হংকং ২, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও  ফ্রান্স ১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয়েছে ৫৭ জন। 

এ ভাইরাসে চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮ হাজার ৬৪ জন এবং চীনের বাইরে ২ হাজার ৯৩২ জন। সবমিলিয়ে পুরো বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৯৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৩০ হাজার ৫০ জন সুস্থ হয়েছে। 

ইউরোপের সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার পাশাপাশি আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া এবং লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে প্রথমবারের মত নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এদের সবাই ইতালি থেকে আক্রান্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে ৫২ জনের। বুধবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

চীনের বাইরে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৪৬ জনের শরীরে (কোভিন-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে মারা গেছেন অন্তত ১১ জন।

ইতালিতে ৩৯৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ১১ জন। হংকংয়ে আক্রান্ত ৮৫, মৃত্যু দুইজনের; জাপানে আক্রান্ত ১৫৯, মৃত্যু একজনের; সিঙ্গাপুরে ৯১ জন করোনায় আক্রান্ত; যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩ জনের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গেছে।

ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে অন্যান্য দেশেও চীনের মতই মৃত্যুহার দেখতে হবে বলে মার্কিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম এই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর চীনের গণ্ডি পেরিয়ে তা বেশ কয়েকটি দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানের একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু। অনেক দেশই তাদের নাগরিকদের চীন ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কোভিড-১৯ দিনে দিনে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। কিছু রোগীর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, তাদের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে।’ এই রোগের কোনো প্রতিষেধক এবং ভ্যাকসিন নেই।